
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা মারা গেছেন। বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সামনে বসা নিয়ে এই সংঘর্ষ হয়।
নিহত মাওলানা রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবির প্রভাষক ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাতে তার মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম জানান, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে রেজাউল করিমকে মৃত ঘোষণা করেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক। তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

শোক ও নিন্দা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার এক বিবৃতিতে মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস, প্রকাশ্য খুন ও নির্বাচনী সন্ত্রাসের ভয়াবহ বহিঃপ্রকাশ। এ ছাড়া রেজাউল করিম হত্যার প্রতিবাদে গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
